সংসদে প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের দুর্নীতি দেখবে কে?

Published 05/07/2012 by idealcollect

ভুয়া প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিতে ৩ বার চিঠি দিয়েছিল বিশ্বব্যাংক ;পদ্মা সেতু আমরাই তৈরি করব

পদ্মা সেতু দুর্নীতির ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি ও আমার পরিবারের কেউ কোনোভাবেই দুর্নীতি ও কমিশন খাওয়ার সাথে সম্পৃক্ত নই। যারা এই সেতুর জন্য একটি পয়সাও দেয়নি তারা কিভাবে দুর্নীতির অভিযোগ করে। যে বিশ্বব্যাংক বিএনপির আমল থেকে যোগাযোগ খাতে একটি পয়সাও ছাড় দেয়নি তারা কিভাবে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির কথা বলে? তাদের যে দুর্নীতি সেটা কে দেখে। তিনি খোদ বিশ্বব্যাংকই দুর্নীতিগ্রস্তÑএমন ইঙ্গিত করে বলেন, ওয়ার্ল্ড স্ট্রিট জার্নাল ও ফোবস ম্যাগাজিন পড়লে তাদের দুর্নীতির ব্যাপারে জানা যাবে। তিনি বলেন, একটি পয়সাও না দিয়ে বিশ্বব্যাংকের দুর্নীতির অভিযোগের পেছনে কে আছে, কী উদ্দেশ্য আছে সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধ করেছে। আরো যারা আছে তারাও বন্ধ করতে পারে। পদ্মা ব্রিজ করার জন্য এ দেশের ১৬ কোটি মানুষ আছে। বিশ্বমন্দা সত্ত্বেও আমরা অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে পারলে পদ্মা সেতুও আমরা করতে পারব।
সংসদে গতকাল বুধবার প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সদস্য ফজলুল আজিমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর ব্যাপারে এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার শওকত আলীর সভাপতিত্বে বিকেলে সংসদের অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন। ফজলুল আজিমের লিখিত প্রশ্ন ছিল দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করা প্রসঙ্গে। সম্পূরক প্রশ্নে তিনি বাজেটে বিদেশী সাহায্যের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ করার কথা বলেন এবং পদ্মা সেতুর ব্যাপারে সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং অভিযুক্ত মন্ত্রীকে সরানো হবে কি না জানতে চান।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই প্রসঙ্গে দীর্ঘ বক্তব্য দেন। মূলত প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বিশ্বব্যাংক অর্থ না দিয়েই দুর্নীতির অভিযোগ করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। এই অভিযোগের পেছনে কে বা কারা জড়িত, উদ্দেশ্য কী তা খতিয়ে দেখার কথা বলেন। বিশ্বব্যাংক একটি ভুয়া কোম্পানিকে পদ্মা সেতুর জন্য পরামর্শক নিয়োগ করতে বারবার চাপ দিয়েছিল বলে বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরিবারের কেউ দুর্নীতি ও কমিশন খাওয়ার সাথে কোনোভাবেই জড়িত নন এমন দাবি করেন তিনি। এসব বক্তব্যের আগে তিনি বিগত জোট সরকারের আমলে বিশ্বব্যাংক যোগাযোগ খাতের সাতটি প্রকল্প বন্ধ করে দিয়েছিল বলে উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বিদেশী সাহায্যের ব্যাপারে বলেন, আমরা একটা জিনিস বুঝি না বাংলাদেশ কি সারা জীবন অন্যের কাছে সাহায্য চেয়ে চলবে? বাংলাদেশ কি নিজের পায়ে দাঁড়াবে না? আত্মমর্যাদাশীল হবে না?
পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সরকার গঠন করে দেখলাম বিএনপির আমলে বিশ্বব্যাংক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও যোগাযোগ খাতে অর্থায়ন বন্ধ করে রেখেছে। যে কারণে আমাদের অনেক উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। তাদের আমলে যোগাযোগের সাতটি প্রকল্পে দুর্নীতির কারণে অর্থ দেয়া বন্ধ করে। ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণে অর্থায়ন বন্ধ হয়। কাজেই আমরা ক্ষমতায় এসে সিদ্ধান্ত নিলাম সাহায্য যখন দেবেই না তখন তাদের মুখাপেক্ষী হয়ে থেকে আমাদের সময় নষ্ট করার সময় নেই বলেই ময়মনসিংহ চার লেন করার কাজ নিজেদের অর্থায়নে শুরু করেছি।
তিনি বলেন, আমি ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে জাপান সফরে যাই। তখন জাপান সরকার আমাদের রূপসা ও পদ্মা সেতু নির্মাণের ওয়াদা দেয়। রূপসা সেতু যেহেতু ছোট ছিল তাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রূপসা সেতু করি। আর পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই হয়। এর পর সেতু নির্মাণের সব কাজ শেষ করে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করি। এগুলো করতে যথেষ্ট সময় নেয়। পরে বিএনপি ক্ষমতায় এসে ঠিক করল ওই পদ্মা সেতু ওখানে করবে না। কী কারণে আমি জানি না। তারা পদ্মা সেতুর কাজ বন্ধ করে দিলো। পরে সেই সেতু পরিবর্তন করতে চাইল। তারপর নানা খেলা। পাঁচ বছর তারা ক্ষমতায় ছিল। আমরা সব উদ্যোগ নিয়ে যে সেতুর কাজ প্রায় শুরু করার অবস্থায় রেখে এসেছিলাম বিএনপির দুর্নীতির কারণে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব হলো না।
এবার আমরা ক্ষমতায় এসে আবার নতুন করে পদ্মা সেতু নির্মাণপ্রক্রিয়া শুরু করলাম। বিশ্বব্যাংক কিন্তু নিজেরাই সপ্রণোদিত হয়ে এগিয়ে এসেছে যোগাযোগ খাতে টাকা দিতে। তাদের কিন্তু যোগাযোগ খাতে অর্থায়ন বন্ধ ছিল বিএনপির দুর্নীতির কারণে। যখন তারা অর্থ দিতে চাইল আমরা খুশি হলাম। তাদের কনসোর্টিয়াম করা হলো। আমাদের সব সময় ইচ্ছে ছিল এডিবি কনসোর্টিয়ামের হেড হবে। কিন্তু সেখানে বিশ্বব্যাংক হতে চাইল। সেটাই করা হলো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হঠাৎ কথা নেই বার্তা নেই, তারা বলল এখানে দুর্নীতি হয়েছে। যেখানে একটা পয়সাও ছাড় হয়নি। একটি পাই পয়সাও তারা এখন পর্যন্ত দেয়নি। সেখানে দুর্নীতিটা কোথায় কিভাবে হলো। এটা হলো সব থেকে বড় প্রশ্ন।
দ্বিতীয় কথা হলো ভূমি অধিগ্রহণ এবং সেই ভূমিতে যারা বসবাস করে তাদের পুনর্বাসন। এই কাজটা কিন্তু সবচেয়ে দুরূহ কাজ। আমরা কিন্তু অতি সহজে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকায় এই পদ্মা ব্রিজের ভূমি অধিগ্রহণ এবং পুনর্বাসনে কাজ করে যাচ্ছি। সেখানে বারবার বিশ্বব্যাংক তাদের লোক পাঠিয়েছে। তাদের রিপোর্ট আছে সেখানে একটা পাই পয়সাও দুর্নীতি হয়নি। অথচ দুর্নীতি তো ভূমি অধিগ্রহণে হওয়ার বেশি সুযোগ ছিল।
এরপর তারা যখন দুর্নীতির কথা বলল, আমি তাদের কাছে জানতে চাইলাম ‘আপনারা যে দুর্নীতির কথা বলছেন আপনাদের কী তথ্য আছে দেখান। বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসাবেলা ঢাকায় এসেছিলেন। আমি যখন জানতে চাইলাম উনি আমাকে দুর্নীতির বিষয়ে দুটো কাগজ দিলেন। আমি তা পড়ে তাকে বললাম, এই দুটো চিঠিই বিএনপির আমলের দুর্নীতির, আপনি তারিখ দেখেন। মন্ত্রীর নাম দেখেন এখানে কিন্তু আমাদের যোগাযোগমন্ত্রী নয় বিএনপির যোগাযোগমন্ত্রীর নাম আছে। কাজেই এটা তো আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এটা পদ্মা সেতুর বিষয় নয়। এরপর তারা বলল, তাদের কাছে আরো তথ্য আছে দেবে। আমরা বারবার বলেছি তথ্য দিন।
পদ্মা সেতু নির্মাণে পরামর্শক নিয়োগসংক্রান্ত কমিটি গঠনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জামিলুর রেজা চৌধুরীকে দিয়ে একটা কমিটি গঠন করা হলো। সেখানে বিশ্বব্যাংকের পরামর্শকও থাকত। তারা সবাই মিলে ঠিক করল কে পাবে। পরে সেই কানাডিয়ান কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ এলো। যে অভিযোগ এসেছে তার তদন্ত হচ্ছে। আমাদের এখানে যখন যে অভিযোগ এসেছে তার সব তথ্য দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে দেয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, দর্নীতির তদন্তের সুবিধার জন্য কোনো দিন কোনো সরকার যা করে না আমি সেটা করেছি। আমি মন্ত্রণালয় থেকে মন্ত্রীকে সরালাম। সচিব ও প্রকল্প পরিচালককে সরালাম। যেন স্বচ্ছতার সাথে তারা তদন্ত করতে পারে। এর থেকে আর বেশি কবে কে করেছে। আমি সংসদ সদস্যকে জিজ্ঞাসা করি বিশ্বব্যাংক যখন দুর্নীতির দায়ে বিএনপি সরকারের আমলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অর্থ বন্ধ করে তখন বিএনপির বিদ্যুৎবিষয়ক উপদেষ্টা কে ছিল? মন্ত্রী কে ছিল? তাদেরকে কী বিএনপি সরকার সরিয়েছিল? সরায়নি। যদিও এখন তারা ওই দুর্নীতির কারণে টাকা বানিয়ে পত্রিকার মালিক হয়ে অনেক তত্ত্ব কথা লেখে। এ রকম অনেকেই আছে, যারা উপদেষ্টা ছিল। তাদের কিন্তু সরায়নি। তেমনি যোগাযোগের সাতটি প্রজেক্ট বন্ধ করে অর্থায়ন বন্ধ করল তখনও কি বিএনপি মন্ত্রীকে সরিয়েছিল, সরায়নি। কিন্তু আমরা সরিয়েছি এবং স্বচ্ছভাবে তদন্ত হোক আমরা এটা চেয়েছি। কাজেই আমরা সব সময় স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করি। আমরা এখানে জনগণের জন্য কাজ করতে এসেছি। ক্ষমতায় বসে দুই পয়সা কামাই করতে আসিনি। এটা আমাদের লক্ষ্যও নয়। বিএনপি সরকারে থাকতেও তন্ন তন্ন করে ভালোভাবে খুঁজেছে। আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারও তন্ন তন্ন করে দেখেছে।
তিনি বলেন, পদ্মা ব্রিজে বিশ্বব্যাংক অর্থ বন্ধ করেছে। ঠিক আছে তারা করতে পারে। এটা তাদের ইচ্ছা। আরো যারা আছে তারাও করতে পারে। কিন্তু পদ্মা ব্রিজ করার জন্য আমার বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষ আছে। আমাদের ৮০ লাখ মানুষ বিদেশে বসবাস করে। যেখানে তারা একটা পয়সাও ছাড় দেয়নি। যেখানে পরামর্শক নিয়োগে তাদের প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে এক সাথে অনুমোদন করেছে। তারপরও তারা দুর্নীতির কথা তুলেছে। যেখানে এক পয়সাও ছাড় দেয়নি সেখানে তারা দুর্নীতির কথা নিয়ে এলো, এর পেছনে কে আছে, কারা আছে। কী উদ্দেশ্য আছে সেগুলো একটু খতিয়ে দেখা দরকার বলে আমি মনে করি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে একটি বিশেষ কোম্পানিকে পরামর্শক নিয়োগ দেয়ার জন্য বিশ্বব্যাংক তিন তিনবার চিঠি দিয়েছে। আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। পরে দেখা যায় ওই কোম্পানিটা ভুয়া। ওই কোম্পানির সাথে যে বিদেশী কোম্পানির যোগসূত্র আছে বলে জানানো হয় পরে তারা স্পষ্টই জানিয়ে দেয় ওই কোম্পানির সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। যার কারণে কমিটি তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। যারা চিঠি দিয়ে যে কোম্পানিকে পরামর্শক নিয়োগের চাপ দিলো সেই কোম্পানিটা ভুয়া তাহলে দুর্নীতিটা এলো কোত্থেকে-এটাই আমার প্রশ্ন।
তিনি বলেন, আমরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে যখন বললাম কৃষিতে আমরা ভর্তুকি দেবো কিন্তু বিশ্বব্যাংক বলল ভর্তুকি দেয়া যাবে না। আমরা সরকারি অর্থে ভর্তুকি দেবো, আমরা তা দিয়েছি। এবার বিদ্যুতে যখন ভর্তুকি দিতে শুরু করলাম তারা পরামর্শ দিলো ভর্তুকি দেয়া যাবে না। শুধু তাই নয় আরও বহু ঘটনা আছে আমি বলব। ৮ তারিখের সমাপনী ভাষণে আমি বিস্তারিত বলব। তবে, পদ্মা সেতু ইনশাআল্লাহ আমরা নির্মাণ করব। আমরা দরিদ্র হতে পারি তারপরও বিশ্বমন্দা থাকা সত্ত্বেও আমরা যদি অর্থনীতি ধরে রাখতে পারি, সেখানে পদ্মা সেতু করতে পারব না তা হয় না। প্রয়োজনে আমরা নিজেরা অর্থায়ন করে হলেও করব। মালয়েশিয়া আমাদের প্রস্তাব দিয়েছে আমরা আরও দেশের কাছে প্রস্তাব চাইব। যে দেশই প্রস্তাব দিক সে প্রস্তাব আমার দেশের মানুষের জন্য গ্রহণযোগ্য হতে হবে। আমরা কিন্তু মালয়েশিয়া থেকে ঋণ নিচ্ছি না। প্রাইভেট-পাবলিক পার্টনারশিপে অথবা বিওটি বেসিসে হয়। তারা এখানে বিনিয়োগ করবে তারা টাকা তুলে নিয়ে যাবে। আরো বিভিন্ন উপায় আছে। আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা এত খারাপ নয়। আমি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করেছি। যেভাবে আমাদের অর্থায়নে সেতুর কাজ শুরু করতে পারি সেভাবে আমরা পরামর্শ করেছি। আমাদের যে রিজার্ভ আছে সেখানে প্রতি বছর এক বিলিয়ন টাকা ব্যয় করা মোটেও কষ্টকর নয়। আমরা তাও করতে পারব। ইনশাআল্লাহ পদ্মা ব্রিজের কাজ আমরা শুরু করব।
আমরা রাজনীতি করি। আমি আমার কথা বলতে পারি। আমার পরিবারের কথা বলতে পারি। আমি দেশবাসীকে আহবান জানাব, সংসদ সদস্য সব কর্মকর্তা কর্মচারীকে বলব আমার পরিবার বলতে আমি আমার ছোট বোন আর আমাদের পাঁচটা ছেলেমেয়ে। এর বাইরে আমার কোনো পরিবার নেই। আমার কেউ নেই। এটা আমি স্পষ্ট বলতে পারি। আমাদের নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি কোনো রকম সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করে সাথে সাথে তারা যেন আমাকে জানায়। কারণ আমাদের পরিবারের কেউ কোনো দুর্নীতি, কমিশন খাওয়া কোনো কিছুর সাথে কোনো মতেই সম্পৃক্ত নয় এবং আমরা তা চাই না। আমরা দেশের জন্য কাজ করি, দেশের মানুষের জন্য কাজ করি। আমি আহ্বান জানাব কেউ যদি কোনো তথ্য পায় আমি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো। আমার নিজের ইমেইল আছে। ংযবরশযযধংরহধ@যড়ঃসধরষ.পড়স ০১৭১১৫২০০০০, ০১৮১৯২৬০৩৭১ এই ফোনের মাধ্যমে আমাকে এসএমএস করে তথ্য দিলে আমি ব্যবস্থা নেবো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি কোনো দিন কোনো সরকার তা নেয় না। মন্ত্রী যদি এসবে জড়িত থাকে যে মুহূর্তে তা প্রমাণ হবে সেই মুহূর্তে তার মন্ত্রিত্ব চলে যাবে। মন্ত্রিপরিষদ পরিবর্তন তো একটা চিরন্তন ব্যাপার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির অপবাদ দিয়েছে অথচ বিএনপি আমল থেকে এই পর্যন্ত তারা যোগাযোগে একটি পয়সাও ছাড় দেয়নি। তারা দুর্নীতির কথা আনে কোত্থেকে। আর তাদের ভেতরে যে দুর্নীতি সেটা কে দেখে। আমি ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও ফবস পত্রিকায় যে নিউজ বেরিয়েছে সেটা সবাইকে পড়ার জন্য অনুরোধ করব। ওই পত্রিকা দু’টির নিউজ পড়লেই জানতে পারবেন আসল দুর্নীতিটা কোথায় আছে। কার কাছে আছে সেটা জানা যাবে।

From- Naya Diganta

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: